মানসিক চাপ দূর করার কিছু কার্যকরী উপায় (প্রথম পর্ব)

মানসিক চাপ দূর করার কিছু কার্যকরী উপায় (প্রথম পর্ব)

By In undefined On 4/7/2020

দুশ্চিন্তা করা, অস্থিরতা এসব আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই একটা অংশ।কিন্তু 
অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের নিজেদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি যেমন 
করে,আমাদের আশেপাশের মানুষদের উপরও প্রভাব ফেলে। দুশ্চিন্তার বেশি করার 
কুফল নিয়ে আমরা সবাই জানি।আজ কিছু কার্যকরী উপায় নিয়ে আলোচনা করবো যা 
দ্বারা আমরা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বা মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারি।

 

১.  আল্লাহর সাথে কথা বলাঃ

 

দুশ্চিন্তা তো মানুষ তখনই করে যখন সে ভাবে তার সমস্যার কোন সমাধান 
নাই।কিন্তু আল্লাহর কাছে অসম্ভব বলে কিছু নাই।আল্লাহ চাইলে যে কোন সমস্যা 
দ্রুত সমাধান হয়ে যেতে পারে।তাই নামাজ  পড়ে আল্লাহর কাছে দুশ্চিতার কারণ 
বলে সাহায্য চাইলে দেখবেন অনেক ভালো লাগে। আল্লাহর উপর আপনার সকল সমস্যা 
সমাধানের ভার দিয়ে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন।কারণ আল্লাহর পরিকল্পনা 
হচ্ছে সর্বোত্তম পরিকল্পনা।

 

২. নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাওয়াঃ

 

 

আমরা জানি তাহাজ্জুদের দুয়া কখনো বিফল যায় না।তাই রাত জেগে দুশ্চিন্তা  
না করে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে দাঁড়িয়ে যান।আল্লাহর কাছে দুয়া করেন যেন 
সমস্যা আল্লাহ সহজ করে দেন।তাহাজ্জুদ ছাড়াও বিভ্রান্তি দূর করতে পড়তে পারেন
 ইশতেখারার নামাজ।তখন আপনাকে আর চিন্তা করতে হবেনা,আপনার জন্য যেটা উত্তম 
আল্লাহ সেটাই আপনার জন্য সহজ করে দিবেন

ইন শা আল্লাহ।

 

৩.কুর’আনের মাধ্যমে সাহায্য খোঁজাঃ

 

যখনই আপনি মানসিক চাপ অনুভব করবেন বিসমিল্লাহ বলে কুরআনের মাঝখানের যে 
কোন জায়গা হলে পেইজ খুলে পড়া শুরু করবেন।দেখবেন কুর’আনে আপনার সমস্যার 
সমাধান পেয়ে যাবেন,নয়তো সবর করার শক্তি পাবেন যা মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে 
দিবে ইন শা আল্লহ।

 

৪. প্রতিদিন ব্যায়াম করুনঃ

 

আপনি যদি অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করেন ও অবসাদগ্রস্ত হয়ে থাকেন তাহলে 
নিয়মিত ব্যায়াম করা আপনার মানসিক চাপকে কমিয়ে দিতে পারে।নিয়মিত ব্যায়ামের 
ফলে শরীর হতে নির্গত এনডরফিন হরমোন দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য 
করে।এছাড়াও ব্যায়ামের ফলে ঘুম ভালো হয় ও শরীর মন ভালো থাকে।

 

৫.সমস্যাটি লিখে ফেলুনঃ

 

একটু কার্যকরী উপায় হলো যেকারণে আপনি মানসিক চাপ অনুভব করছেন তা লিখে 
ফেলুন।আপনি ডায়রি লিখতে পারেন কিন্তু কি দরকার খারাপ স্মৃতি রেখে 
দিয়ে,এরচেয়ে বরং লিখে ফেলে কাগজটি ছিড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেন।দেখবেন একটু 
শান্তি লাগবে।

 

৬. আপনজনের সাথে সমস্যা শেয়ার করুনঃ

 

আপনার সমস্যা খুব কাছের কোন বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে শেয়ার করতে 
পারেন।হয়তো আল্লাহ তাদের মাধ্যমে আপনার সমস্যা সমাধান করে দিবেন।তবে অবশ্যই
 পার্সোনাল কথা কাওকে বলার আগে দেখবেন যাবে বলছেন তিনি কতটা বিশ্বাসযোগ্য। 
তবে আমার কাছে মনেহয় কোন মানুষকে বলার আগে আল্লাহকে বলাই উত্তম।তাহলে 
সমাধান পাওয়ার আশাও থাকে আবার আমানতের খেয়ানত করার ভয় থাকেনা।




 

নায়লাহ আমাতুল্লাহ

ফিচার রাইটার, ModestBD

Continue Shopping Order Now