New year, new hope

New year, new hope

By In undefined On 4/7/2020

Bangladesh এ internet user এর সংখ্যা ২০১৪ সালে ছিল 
15,271,441 জন, ২০১৫ তে এ সখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় 19,420,674জনে, আর ২০১৬ তে 
21,438,070 
(সূত্রঃ http://www.internetlivestats.com/internet-users/bangladesh/ )

 
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে, সেইসাথে বেড়ে চলেছে অনলাইন ক্রেতা ও বিক্রেতার সংখ্যা। গত কয়েকবছর যে Online Shopping trend টা ছিল, যে অনলাইনে বাজে প্রোডাক্ট,রেপ্লিকার ব্যবসা করা, সেটা থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে Bangladesh। Facebook এ পেইজ খুলে যে এই পরিমান সেল করা যায় তা বোধহয় একমাত্র বাংলাদেশীরাই করে দেখিয়েছে! অন্য দেশে আমরা যেটা দেখি, Facebook page থাকে
 প্রচারের জন্য আর website দিয়ে sell করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে শুধুমাত্র
 facebook দিয়ে বেশ ভাল রকমের আয় করছেন অনেকে। এটা আসলে খুব ইতিবাচক দিক 
বাংলাদেশের জন্য। আর সেটা হল, আমরা খুব সহজে একটা সুযোগকে আপন করে নিতে 
পারি। আবার অনেকের সেইসাথে Online Shopping Experience এতই বাজে যে তিনি দ্বিতীয়বার ওপথ মাড়াবেন না বলে ঠিক করেছেন।

কিছু ব্যাপার ভেবে দেখি…

যখন মানুষ ফেসবুককে আয়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিল, তখন কিন্তু সে এটার 
ব্যাপারে dedicated ছিলনা। তাদের মেন্টালিটি ছিল অনেকটা এরকম, দু এক পয়সা 
আসলে মন্দ কি…। কাস্টমার ছিল অল্প; এ অবস্থায় সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা ছিল 
রেপ্লিকার ব্যবসা। কারণ রেপ্লিকার দাম খুব কম, কিন্তু সাথে যে ছবিটা দেয়া 
থাকে সেটা হাই কোয়ালিটি অরিজিনাল প্রোডাক্ট এর। সেটা জাস্ট আপলোড করলেই হয়ে
 গেল। একটা রেপ্লিকা কিনে রাখত, এরপর অর্ডার পেলে দোকান থেকে কিনে ডেলিভারি
 দিত। মেইনলি এই রেপ্লিকাগুলো তৈরি হয় মফস্বল এরিয়ার জন্য, শহরের মানুষ দাম
 দিয়ে এই মানহীন প্রোডাক্ট মেনে ্নেয়নি আর ফলশ্রুতিতে তাদের ONLINE SHOPPING এর ওপর বিতৃষ্ণা জন্মে গেছে।

সৌভাগ্যক্রমে, গত দু’বছরে বেশ কিছু প্রমিজিং ONLINE BRAND দাঁড়িয়ে গেছে। আর রেপ্লিকা ব্যবসা থেকেও সরে আসতে শুরু করেছেন অনেকে। MARKET বড়
 হয়েছে, সেইসাথে ক্রেতার আস্থা বেড়েছে। তবে এখন রেপ্লিকার জায়গায় অন্য 
ধরনের রেপ্লিকা হাউজ গড়ে উঠেছে। এরা ইন্টারনেট থেকে ছবি ডাউনলোড করে অর্ডার
 নেন, কিছু ক্ষেত্রে সফলও হন অর্থাৎ তাদের নকলকৃত ডিজাইনে ক্রেতারা 
সন্তুষ্ট। তার মানে দামের ক্ষেত্রে  MARKET বেশ কম্পিটিটিভ।

BANGLADESH ONLINE MARKET একসময় বিশ্বের শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে জায়গা করে নেয়ার সমূহ সম্ভাবনা। কারণ,

  • জনসংখ্যা বেশি
  • ট্রাফিক জ্যাম বেশি
  • ভাল প্রোডাক্ট কেবল capital city তেই পাওয়া যায়, তাও সব জায়গায় নয়।
  • অনলাইনে customaization সুবিধা রয়েছে, তুলনামূলক flexible অফলাইনের থেকে

    তাই অনেক অভিজাত লোক Online Shopping prefer করেন।
আবার এর বিপরীতে অনলাইন বিক্রেতার সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে সেই অনুপাতে। 
তরুণেরা কিছু হতে চায়, কিছু করার স্বপ্ন দেখে। আর আমাদের দেশের 
শিক্ষাব্যবস্থার যে হাল, তাতে মাস্টার্স কমপ্লিট করতে করতে ২৫/২৬ পেরিয়ে 
যায়। এরপর বিসিএস আর ব্যাংক এর চাকুরির জন্য লাইন লাগে, খুব কম লোকে পারে 
সেখানে জায়গা করে নিতে। ব্যবসা করার মত যথেষ্ট মূলধন থাকেনা। আর এজন্যই ONLINE BUSINESS সিরিয়াসলি নেয়া শুরু করেছেন অনেকে। কারণ

  • কম মূলধন প্রয়োজন
  • মামা চাচার লবিং এর প্রয়োজন নেই
  • নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ
  • স্বল্প সময়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়
  • ঝুঁকি তুলনামূলক কম
  • মার্কেট বড়
 

Online business ক্ষেত্রে 
মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা এগিয়ে। কারণ ব্যবসাটা যতই অনলাইনে হোক, আপনাকে মাঠে 
নামতেই হবে product sourcing, delivery ও অন্যান্য কাজের জন্য। মাঝে মাঝে 
deliveryসংক্রান্ত জটিলতায় পরতে হয়, ছেলে হলে সে নিজেই অনেকসময় সেই সার্ভিস
 দিতে পারেন। আর মেয়েরা সংসার সামলে customer service ঠিক সেই অনুপাতে দিতে পারেন না। তারপরেও womens clothing sector এ মেয়েদেরকেই প্রেফার করেন মেয়েরা যেহেতু সাইজ দেয়ার একটা ব্যাপার থাকে।

আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় বলি, MODEST COLLECTION এর
 ক্লায়েন্টদের অধিকাংশই অনলাইনে শপিং করেন বেশি। যদিও সন্দেহ নিয়ে আসেন এমন
 ক্রেতাও আমরা পাই, সেটা তুলনামূলক কম। এক একজনের শারীরিক গঠনে এত পার্থক্য
 সুবহানাল্লাহ, store এর readymade size অধিকাংশেরই হওয়ার কথা না। এখানে 
নিজের মাপে প্রোডাক্ট টা পাওয়া যায়, নিজের সুবিধামত কাস্টমাইজ করা যায়। আর 
ঢাকার বাইরে কিংবা প্রবাসী বাঙালীরাও নিজের পছন্দের প্রোডাক্ট টা অনলাইনে 
পেয়ে যেতে পারেন, এসব সুবিধার কারণে তারা অনলাইন শপিং প্রেফার করেন।

 

Online shopping এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেটা হল- color 
exactly আসেনা, ডেলিভারি সময়মত হয়না অনেকসময়, মাপ দিতে ভুল করেন অনেক 
ক্রেতা। এই ব্যাপারগুলো ছাড় দিতে হবে অনেকক্ষেত্রে। কারণ এগুলো পুরোপুরি 
কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।

আর দেখে কেনার সুযোগ অনলাইনে না থাকলেও মাঝে মাঝে fair এর আয়োজন করে Online storeগুলো। তখন যাচাই করার সুযোগ থাকে।

 

পরিশেষে বলি, অনলাইন ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভংগী এখনও অনেকটা private tutor
 এর মত। যতই আয় কর আর ভাল পড়াও না কেন বিয়ে করতে গেলে চাকরি জোটাতে হবে! 
অর্থাত প্রাইভেট টিউশনি যতই established হোক না কেন মানুষ এটাকে আমলে নিতে 
চায়না; তেমনি Online brand দাঁড়িয়ে গেলেও একখানা শোরুম না নিলে ঠিক ব্যবসায়ী বলে মানতে মন চায়না! এই ধারণারও পরিবর্তন আসবে।

2017 এ নাহোক 2018 এ তো অবশ্যই!

Continue Shopping Order Now